Ahem, naqueles anos, todos nós ainda éramos jovens. Juntos, seguimos a Sensei Cang e, ao ver o título do livro, todos entendemos, não é preciso dizer mais nada. É uma combinação perfeita de fluxo infinito com ficção urbana sobrenatural.
সন্ধ্যা নামতেই, জলকাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ফটকের সামনে উন্মুক্ত সেই প্রশস্ত চত্বরে, কুড়ি বছরের মতো এক তরুণ গিটার বুকে নিয়ে আপন মনে গান গাইছিল। গানের মাঝে তার ঠোঁটের কোণে লেগেছিল মৃদু হাসি, যেন মৃদুমন্দ বসন্তের হাওয়া।
"তুমি চুল খুলে দিলে, বিচ্ছেদের বেদনা হয়ে উঠলে আরও মধুর, আমার ধূপের ধোঁয়া কাকে ছুঁয়ে গেল..."—তার মধুর কণ্ঠস্বর আকাশে ভেসে বেড়াচ্ছিল। তরুণের ঢেউখেলা চুল হালকা বাতাসে দুলছিল সুরের সাথে।
কাজল ছোটবেলা থেকেই গান শুনতে ও গাইতে ভালোবাসত। সে ক্লাসের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ছিল, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে জলকাঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স না পাওয়াটা তার জন্য পুরোপুরি খারাপও হয়নি। তৃতীয় সারির এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে সে নিজের ইচ্ছেমতো অনেক কিছু করার সময় পেয়েছিল। চার বছরের ছাত্রজীবনে পড়াশোনায় সে খুব উজ্জ্বল ছিল না, তবে সংগীতে ছিল সিদ্ধহস্ত।
গান গেয়ে গেয়ে কাজল কখনও চাকরি না পেলেও অভুক্ত থাকতে হয়নি—এ সংগীতই তার ভরসা।
কাজলের গড়ন লম্বা, দেখতে হয়তো ছাঁচে ফেলা সুপুরুষ নয়, কিন্তু শিল্পীর এক ধরনের আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব তার মধ্যে আছে। তার ঢেউখেলা চুল, শান্ত-অলৌকিক অভিব্যক্তি—সব মিলিয়ে সে বড়ো আলাদা মনে হয়। তাই কাজলের চারপাশে নানা ধরনের সুন্দরী মেয়ে ভিড় করে। চারদিকে তাকালে শুধু লম্বা-সাদা পা জোড়া চোখে পড়ে।
"আগে তুমি খুব সাবধানে থাকতে, আমার কাছে আধখানা রাবার চাইতে..."—কাজল গভীর আবেগে গাইছিল। সে খেয়াল করেনি, গাইবার মুহূর্তে তার কাঁধের ওপরের জায়গায় বাতাসের মতো জায়গা বেঁকে আসছে। যেন সেখানে এক অজানা টান প্রবাহিত হচ্ছে, চারপাশের স্থানকে গিলে নিচ্ছে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই জায়গা ফেটে গিয়ে এক মুঠির মতো ফাঁক তৈরি হয়।
এটি ছিল এক সুড়ঙ্গের মতো পথ, যার মুখে নীলাভ বিদ্যুৎরেখা খেলছিল, যেন ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রবিন্দু। যদি কাজলের আইনস্টাইনসুলভ জ্ঞান থাকত, সে বুঝত