মূল অংশ প্রথম খণ্ড কাঠফুল দ্বাদশ অধ্যায় অসীম পথের অশ্রু
জীবন যেন দীর্ঘশোক, পূর্বমুখী নদীর স্রোত।
দুপুর গড়িয়ে গেছে।武当山-এর স্বর্ণচূড়া শিখরে। তুষারপাত শেষের পথে, এক-দুটি সাদা বরফের ফুলকা ধীরে ধীরে ঝরে পড়ে। চারপাশের পৃথিবী আবছায়া, জনমানবহীন এই অনন্ত বিস্তারে সময় যেন স্তব্ধ। ছিন্নবিচ্ছিন্ন ধুলোয় ঢাকা, ক্লান্ত মানবজীবন এখানে বড় নিঃসঙ্গ দেখায়।
紫霄大殿ের অন্তর্গত সভাকক্ষে, উপস্থিত সকলে আবারও দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে সেই কিশোরের দিকে, যে বাম হয়ে চেয়ারটিতে বসে আছেন, হাতে মিষ্টির ছাঁচ, জিভে চিনি ছুঁইয়ে নিচ্ছেন। কিশোরটির মুখাবয়বে নির্মলতা; তার অবহেলায় যেন এক নির্লিপ্ত ব্যঙ্গ।
বৃদ্ধ 青木道长-এর কঠিন মুখে চিন্তার ছায়া, কপাল কুঁচকানো, কথা নেই। সবাই গম্ভীর, সোজা বসে আছেন, যেন সবকিছু বুঝে গেছেন—এমন ভঙ্গি। অথচ প্রত্যেকে মনেপ্রাণে জানতে চায় রহস্যের উত্তর। কিন্তু প্রকাশ্যে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করছে না; জানে, এই মুহূর্তে প্রশ্ন করা মানে সেই কিশোরের কাছে নতজানু হওয়া। সকলে তো নামকরা, সম্মানিত ব্যক্তি; কারোরই সম্মান হারানোর ইচ্ছে নেই।
安 চেয়ারটিতে এক হাত রেখে, অন্য হাতে চকচকে চিনি-মানুষটি মুখে তুলছেন, মৃদু হাসি দিয়ে সবাইকে দেখছেন। মনে মনে খুব মজা পাচ্ছেন এই তথাকথিত মহামান্য পূর্বসূরিদের ভণ্ডামি দেখে।
এভাবে কিছুক্ষণ কেটে গেলে, বাতাসে অস্বস্তির আভাস এসে পড়ে। কেউ কেউ চোখ বুজে ধ্যানে বসেছেন, কেউ অস্থির হয়ে উঠেছেন। 青木道长 নিজেও অস্বস্তিতে। তিনি মনে মনে অনুতপ্ত—কেন 任玉瑕-র কথার সূত্র ধরেছিলেন! এখন তিনিই তো এই সভার উপস্থাপক, অথচ পরিস্থিতি বেশ বেকায়দায়।
তিনি যখন প্রসঙ্গ বদলাতে চাইছিলেন, ঠিক তখনই এক নারীকণ্ঠ উচ্চস্বরে বলে ওঠে, ‘‘বলতে পারো তো বলো, নইলে চুপ করো; এভাবে রহস্যময় ভান করে কী হবে, পুরুষত্ব কোথায়?’’ সবাই চেয়ে দেখে, এ সেই 黄裳-পোশাকের নারী, যিনি আগেই 剑平川-র দম্পতিকে প্রশংসা করেছিলেন; তিনি 峨嵋 মঠের প্রধান 无念师太-র শিষ্যা,叶素灵।
তার ভুরু ও চোখে অসন্তোষ, গাল লাল, ঠোঁট ফুলিয়ে রাগ প্রকাশ পাচ্ছে। তার সামনের 清乐 দিদি প্রথমে স্থির থাকতে পারেননি, মাথা ঘুরিয়ে, জামার হাতা ধরে ফিসফিসিয়ে বললেন, ‘‘ছোট বোন, চুপ করো।’’
黄裳-র সেই তরুণী যে সাধারণত গুরু ও সহোদর দিদিদের কাছে বেশ আদর পেতেন, তা স্পষ্ট। তিনি ঠোঁট ফুলিয়ে, যেন অভিমান করে বললেন, ‘‘বড় দিদি, এই বিরক্তিকর লোকটা...’’—কথা বলতে গিয়েও নিজেকে সামলালেন। মনে হল, কিশোরটিকে কী নামে ডাকবেন, বুঝে পাচ্ছেন না—‘বীর’ বললে বাড়াবাড়ি, ‘ভাই’ বললেও মানায় না; নিজেও তো সাধারণ এক শিষ্যা। মনে মনে নানা দ্বিধা, শেষ পর্যন্ত কিছুই বলতে পারেন না।
安 তার টালমাটাল, লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া মুখ দেখে হাসি চেপে রাখতে পারলেন না। এবার সবাই, যারা এতক্ষণ বিরক্তি চেপে রেখেছিল, কিশোরটির খোলামেলা হাসিতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল। কয়েকজন তো চেয়ার ছেড়ে দাঁড়াতে উদ্যত, যেন তাকে শিক্ষা দিতে চায়।
安 চারপাশে তাকিয়ে দেখলেন, সবাই কপাল কুঁচকে, ঠান্ডা দৃষ্টিতে তাঁকে দেখছে। পাশে 路人遥 মুখ কালো করে আছেন—বুঝলেন, বিপদ। তিনি তৎক্ষণাৎ উঠে, গম্ভীর মুখে 青木道长-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘剑平川-র ধনভাণ্ডার তৈরি হওয়ার দিনটি ও সীমান্ত যুদ্ধে ক’দিনের ব্যবধান ছিল?’’
青木道长 ভাবেননি, এতক্ষণ হাস্যরসিক কিশোর হঠাৎ এমন প্রশ্ন করবেন। তিনি বিস্মিত, মুখে, ‘‘এহ, এহ...’’—উত্তর দিতে পারলেন না।
এমন সময় কেউ উত্তর দিলেন—‘‘প্রায় দশদিনের ব্যবধান।’’, তিনি হলেন 天山梅家庄-এর প্রধান梅澜云।
安 মাথা নেড়ে আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘刚任庄主-র উল্লেখিত 黑血老人 ও 血煞老祖 কারা?’’
任玉瑕 নিজেও অবাক, কিশোরটি হঠাৎ এসব জানতে চাইছে কেন! তবু সত্য বললেন, ‘‘黑血老人 ও 血煞老祖-র জন্ম ও পরিচয় অজানা; কেবল জানা যায়, তাঁরা সহোদর। ছোটবেলা থেকেই চেহারায় কুৎসিত, বিকৃত আকৃতির জন্য সমাজে অবহেলিত, সব সাধু সংগঠনে অপমানিত।’’
安 বাধা দিয়ে বললেন, ‘‘তারা কি কখনো কোনো পাপ বা অত্যাচার করেছে?’’
任玉瑕 থেমে কিছুক্ষণ ভাবলেন, ‘‘এমন কিছুর কথা শুনিনি।’’
安 শান্ত স্বরে বললেন, ‘‘তবুও তথাকথিত মহামান্য সংগঠনগুলো চেহারা দেখে মানুষ বিচার করে।’’
অবিলম্বে সভাকক্ষের সবাই ক্ষুব্ধ, রাগ চেপে রাখে।
任玉瑕 কষ্ট হাসলেন, ‘‘ছোট ভাই, কথাটি ঠিক নয়। যেমন মুখ, তেমন মন—বলা হয়! তাদের চেহারা কুৎসিত, মানে অন্তরও কলুষিত; তারা নিঃসন্দেহে মহৎ বা নৈতিক ব্যক্তি নয়।’’
安 হেসে উচ্চস্বরে বললেন, ‘‘তবে যদি তারা জন্মগতভাবে সুন্দর, পরে কোনো দুর্ঘটনায় আকৃতি বিকৃত হয়—তখন? তোমরা কী করবে?’’
এই প্রশ্নে সবাই স্তব্ধ, মনে মনে স্বীকার করল—এখনও পর্যন্ত এদিকটা ভাবেনি। অনেকে লজ্জায়, মুখ লাল হয়ে গেল।
安 আবার বললেন, ‘‘মানুষ নিজেকে বড় বুদ্ধিমান ভাবে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতায় গর্বিত, অথচ সেগুলোও কতটা নির্ভরযোগ্য? বাস্তবতা হয়ত কেবলই এক বিভ্রম; সবাই নিজের কল্পনার জগতে বাস করে। বাইরের দৃশ্যমান কিছুই হয়তো আসল নয়, বিকৃতও হতে পারে—তাই নয় কি?’’
এ কথা বলে চারপাশে তাকিয়ে, হেসে বললেন, ‘‘অনেকেই বুদ্ধিমান মনে হয়, অথচ হয়তো তারা প্রকৃত অন্ধ।’’
সবাই安-র কথার অর্থ বোঝার আগেই তিনি আবার বললেন, ‘‘তারপর কী হয়েছিল?’’
任玉瑕 থেমে, চিন্তা করে উত্তর দিলেন, ‘‘黑血老人 ও 血煞老祖 অদৃশ্য হয়ে গেলেন। পরে যখন ফের জগতে আবির্ভূত হলেন, তখন তারা নৃশংস, নির্মম বিদ্যা আয়ত্ত করেছিলেন। তাঁদের হাতে অনেক বীর যোদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন। ঠিক তখনই 剑平川 অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে আবির্ভূত হয়ে, তাঁর অতুলনীয় তলোয়ার বিদ্যায় দুই ভাইকে পরাজিত করেন। এরপর দু’জন গা-ঢাকা দেন, সীমান্ত যুদ্ধে আবার আবির্ভাব হয়।’’
安 জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘যুদ্ধ কেমন হয়েছিল?’’
任玉瑕 বললেন, ‘‘剑前辈 ছিলেন ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভাবান, যুবা, সাহসী। 黑血 ও 血煞 দুজনই কঠোর, নিষ্ঠুর; অনেক অপকর্ম করেছেন। 剑前辈 দয়া দেখিয়ে তাদের হত্যা করেননি, তবে দু’জনই গুরুতর আহত হন।’’
安 জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘স্থান?’’
任玉瑕 বললেন, ‘‘秦岭, পশ্চিম ঝর্ণার উপত্যকা।’’
安 বললেন, ‘‘পরিবেশ কেমন ছিল?’’
任玉瑕 উত্তর দিলেন, ‘‘পর্বত দুর্গম, জনমানবহীন।’’
安 বললেন, ‘‘তাহলে তো সেখানে সুস্থ হয়ে ওঠা বা বিদ্যা চর্চার আদর্শ স্থান।’’
任玉瑕 বিভ্রান্ত, ঠিক কী উদ্দেশ্য安-র বুঝতে পারছেন না, তবু বলেন, ‘‘অত্যন্ত প্রাণবন্ত, ঘন বন, প্রাণী-সমৃদ্ধ; সত্যিই আরোগ্য ও সাধনার উপযুক্ত স্থান।’’
安 আবার জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘ওখান থেকে সীমান্তে পৌঁছাতে ক’দিন?’’
任玉瑕 হঠাৎ যেন কিছু আঁচ করলেন, আবার হারালেন; কপাল কুঁচকে বললেন, ‘‘秦岭 থেকে সীমান্তে যেতে বহু পর্বত, জলাভূমি, আঁকাবাঁকা পথ—সাধারণ মানুষের পক্ষে কমপক্ষে দশ-বারো দিন।’’
安 বললেন, ‘‘剑前辈-র ধনভাণ্ডার তৈরির খবর তখন ক’জন জানত? কারা তারা?’’
এবার青木道长 প্রসঙ্গ ধরলেন, ‘‘মোট চারজন, সবাই সেনাপতি। তিনজন পুরনো সৈন্য, একজন নতুন, যিনি 岳将军-র মৃত্যুর পর, রাজদরবার নতুনভাবে সেনা সাজান, তখন নিযুক্ত হন।’’
安 বললেন, ‘‘তাদের বর্তমান কী?’’
青木道长 বললেন, ‘‘তা জানা নেই।’’
এ সময় কেউ বললেন, ‘‘আমি জানি।’’
সবাই তাকাল, কথা বললেন এক কালো চামড়ার, চামড়ার বর্মে মোড়া, বাহুতে দাগভরা বলিষ্ঠ বৃদ্ধ।
青木道长 বললেন, ‘‘লোহিত প্রধান, আপনি জানলেন কীভাবে? দয়া করে বলুন।’’
তিনি বললেন, ‘‘ছোটবেলায় 岳将军 ও 剑前辈-র দেশপ্রেম দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে, কিছু শক্তি ও কুস্তি বিদ্যা জানতাম বলে সৈন্যদলে যোগ দিই, দেশের জন্য যুদ্ধ করতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্য, আমাকে পাঠানো হয় রাজপ্রাসাদের নিরাপত্তায়। রাজা পাহারা দিতে গিয়ে সব স্বপ্ন ভেস্তে যায়।’’
青木道长 বললেন, ‘‘আপনার দেশপ্রেম প্রশংসনীয়; কিন্তু এতে বর্তমান আলোচনার কী সম্পর্ক?’’
তিনি বললেন, ‘‘তবু আমি চেষ্টা করছিলাম, সুযোগ পেলেই 岳将军-র সেনাদলে যোগ দেব। কিন্তু যখন সুযোগ এল, তখন 岳将军 কারারুদ্ধ ও নিহত; তাঁর বাহিনী ছত্রভঙ্গ; 剑前辈-ও অদৃশ্য। আমি হতাশ হয়ে, এক রাতে পাহারার ফাঁকে পালিয়ে গেলাম।’’
সবাই হাততালি দিয়ে বলল, ‘‘আপনি সত্যিই মন-মানুষ।’’
তিনি বললেন, ‘‘পরে এক নিরাপত্তা সংস্থায় চাকরি নিই, সেনাবাহিনীর রসদ পরিবহন করি। গুরুর মেয়ে আমাকে বিয়ে করেন। গুরু মারা গেলে, আমি প্রধান হই। সেনাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগে অনেক তথ্য জানি।’’
তিনি থামলেন, ‘‘道长, আপনি যে চারজন বললেন, তাদের মধ্যে একজন এখনো সেনাবাহিনীতে, উচ্চপদস্থ জেনারেল। বাকি তিনজনের মধ্যে দুইজন সীমান্ত যুদ্ধে মারা যান; একজন প্রাণে বাঁচলেও, ফেরার পথে মৃত্যুবরণ করেন।’’
সবাই দুঃখে দীর্ঘশ্বাস ফেলে।
安 হঠাৎ জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘উচ্চপদস্থ জেনারেল কি সেই নতুন নিযুক্ত সেনাপতি?’’
তিনি একটু ভেবে বললেন, ‘‘ঠিকই; সীমান্ত যুদ্ধে পরাজয় সত্ত্বেও, তাঁর দেশরক্ষার নিষ্ঠা দেখে রাজদরবার তাঁকে পুরস্কৃত করে, পরে আরও সাফল্যে, আজকের এই পদে আসেন।’’
安 শুনে, চুপচাপ চেয়ারটিতে হেলে পড়লেন।
দর্শনগৃহে, 青木道长, 任玉瑕 ও আরও কিছু প্রবীণ গুরু গভীর চিন্তায় চুপচাপ; যেন কারও মনে কোনো অশুভ সন্দেহ দানা বেঁধেছে।
এক ঝটকা ঠান্ডা বাতাসে কিছু তুষার কণা সরে এসে মৃদু শীতলতার ছাপ ফেলে।
অনেকক্ষণ নীরবতার পর, 青木道长 ধীরে ধীরে বললেন, ‘‘এভাবেই।’’
任玉瑕 কষ্টে বললেন, ‘‘দেখা যাচ্ছে, সীমান্ত যুদ্ধ ছিল রাজদরবারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র—剑平川-কে সরানোর। সেই নতুন সেনাপতি—আজকের উচ্চপদস্থ জেনারেল—ছিল গুপ্তচর। 黑血老人 ও 血煞老祖-র আকস্মিক উপস্থিতিও পূর্ব-পরিকল্পিত ফাঁদ, রাজদরবারের ষড়যন্ত্র।’’
ঘণ্টার শব্দেও ভেঙে যায় না এই গভীর নীরবতা। সবাই 剑前辈-র করুণ পরিণতিতে দুঃখে হতাশ, রাজদরবারের অযোগ্যতা ও অন্ধকারে ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
অনেকক্ষণ পরে, 青木道长 বললেন, ‘‘剑前辈 মৃত্যুর আগে নিশ্চিত বুঝেছিলেন, রাজদরবার 岳将军-র অবশিষ্ট শক্তি ধ্বংসে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন তিন সেনাপতিকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত একজনই বেঁচে ফিরেছিলেন—তাকেও সম্ভবত সেই উচ্চপদস্থ জেনারেল মেরে ফেলেছেন।’’
চারপাশে টিমটিমে প্রদীপের শিখা কেঁপে উঠলো, যেন অতীতের বেদনায় প্রতিবাদ জানায়।
任玉瑕 কঠিন কণ্ঠে বললেন, ‘‘নিশ্চয়ই 剑前辈 দেশ-দুঃখে, রাজদরবারের নিষ্ঠুর রাজা ও দুর্নীতিগ্রস্ত আমলাদের অমানবিক আচরণে হৃদয় বিদীর্ণ হয়েছিলেন; আর 黑血老人 ও 血煞老祖-র প্রতিহিংসায় মত্ত, কাপুরুষতায় ভীষণ হতাশ হয়েছিলেন।’’
安 হঠাৎ সোজা হয়ে মাথা তুলে উচ্চস্বরে বললেন, ‘‘剑前辈 শেষ মুহূর্তে বুঝেছিলেন, তাঁর সারাজীবনের সাধনায় গড়া ধনভাণ্ডার হয়তো দেশপ্রেম বা সাহস জাগাতে পারবে না, বরং আরও বেশি মানুষকে লোভ ও স্বার্থপরতায় ডোবাবে। এমনকি শত্রু জয় করলেও, শান্তি আসবে না; তাঁর মৃত্যুর পর, 同胞-রা সেই ধনভাণ্ডার ও গুপ্তবিদ্যার জন্য একে-অপরের রক্তপাত করবে; তখনও রক্তগঙ্গা বইবে।’’
安 মুখ গম্ভীর করে মাথা ঝুঁকিয়ে ফিসফিস করে বললেন, ‘‘তিনি মৃত্যুর আগে কতটা হতাশ ও যন্ত্রণায় ছিলেন...’’